মোবাইল ফোন কি?

মোবাইল ফোন হলো এমন একটি তারবিহীন ইলেকট্রনিক ডিভাইস যার আবিস্কার মানুষের গোটা জীবনকে বদলে দিয়েছে। মানুষের জীবনে যত রকমের কাজ আছে, সব ধরনের কাজে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যায়।

এমন কোন কাজ খুজেঁ পাবেন না, যাতে মোবাইল ফোন ব্যাবহার করা যায় না। যদি ও মোবাইল ফোন আবিষ্কার করা হয় শুধু মাত্র যোগাযোগের জন্য। প্রথম মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে আমেরিকার বাসিন্দা মার্টিন কুপার আবিষ্কার করেন। তাই তাকে মোবাইলের জনক বলা হয়

প্রথম দিকে মোবাইল ফোনের ওজন ছিল প্রায় এক কেজি। আয়তনে ছিল বেশ বড়। তার দিয়ে চলতো মোবাইল ফোন। যার ফলে এক স্হান থেকে অন্য স্থানে মোবাইল ফোন নেওয়া যেতো না। পরে আস্তে আস্তে আকারে ছোট হতে হতে আজকের পর্যায়ে পৌঁছে মোবাইল ফোন।

মোবাইল ফোন কি?

মোবাইল ফোনের পূর্বে নাম ছিল ল্যান্ড ফোন, টেলিফোন। যা তারের মাধ্যমে চলতো।  একজন মানুষ অন্য মানুষের সাথে শুধু কথা বলতে  পারতো। আকারে ছিল বড়। ওজন ছিল বেশি। মোবাইল ফোনের বর্তমান নাম সেলফোন।

অনেকে মোবাইল ফোনকে বলে মুঠো ফোন, হ্যান্ড ফোন, সেলুলার ফোন। সেলফোন তার ছাড়া চলে কিন্তু বেতার তরঙ্গ ব্যাবহার করে। ওজন কম ও আকরে ছোট। তাই মানুষ মোবাইল ফোন বা সেলফোন হাতে, পকেটে, কোমরে নিয়ে চলাফেরা করতে পারে।

আজকের এই আর্টিকেলে পাবেন মোবাইল ফোন কি? তাই মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন সম্পূর্ণ লেখাটি।

মোবাইল ফোনের উপকারীতা 

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক গুলো জেনে নিন এখনি!

মোবাইল ফোন বলতে কি বুঝায়?

মোবাইল ফোন বলতে বুঝায় তারবিহীন ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা বেতার তরঙ্গ ব্যাবহার করে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যোগাযোগ করতে সক্ষম।

মোবাইল ফোন তারবিহীন বা ওয়্যারলেস এর মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করে।  যখন কোনো ব্যাক্তি তার মোবাইল ফোন থেকে নাম্বার টিপে কাউকে কল দেয়, সাথে সাথে নিকটস্থ টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ স্হাপিত হয়।

এরপর স্হানীয় টাওয়ারটি যার কাছে কল দেওয়া হলো তার কাছের টাওয়ারটি খুঁজে নেয়। এবং সেই টাওয়ারটির সাহায্যে গ্রাহকের মোবাইলে সংযোগ প্রদান করে। মোবাইলে কথা বলার জন্য বেতার তরঙ্গের সাথে কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

আর মোবাইল ফোনে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যাবহারের ফলে কথা বলা ছাড়া ও অন্যান্য সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। আর পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই  যা মোবাইল ফোনে করা যায় না। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের মানুষের সাথে কথা বলা যায়।

মোবাইল ফোনে ছবি তোলা যায় এবং যে কোনো কিছু ভিডিও করা যায়। গান বাজনা সহ যে কোনো শব্দ অডিও করা যায়। মোবাইল ফোন এ ভিডিও কলে কথা বলা যায়, শুনা যায় এবং দেখাও যায়। এসএমএস, এমএমএস আদান প্রদান করা যায়। এছাড়াও ব্লুটুথ, ক্রোম ব্রাউজার, গেমিং অ্যাপসসহ অসংখ্য সুবিধা পাওয়া যায়।

মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ করা যায়। মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ করে সারা দুনিয়ার সকল খবর এখন ঘরে বসে নেওয়া যায়। পড়ালেখা করার জন্য বই, কোচিং, নামকরা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের টিচিং, ইত্যাদি অনলাইন থেকে মোবাইলে পাওয়া যায়। মানুষের জীবনের সব কিছু এখন অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়ছে। তাই অনলাইনে যে কোনো কিছু করতে হলে মোবাইল প্রয়োজন।