3G মোবাইলকে 4G করার নিয়ম।

বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারাবিশ্বে মোবাইল ব্যাবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে।

আর এই বৃদ্ধির কারণ হচ্ছে যোগাযোগ, ভিডিও, কম্পিউটার এর পরিবর্তে মোবাইল, ছবি, ইন্টারনেট, গেমস ইত্যাদির ব্যাবহার।

3G ও 4G প্রথম কোথায় চালু হয়?

3G প্রথম চালু হয় জাপানে।

কিন্তু 4G দুই ভাবে চালু হয়। যেমন –

1. মোবাইল ওয়াইম্যাক্স চালু হয় – ২০০৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায়।

2. লং-টার্ম ইভোলিউশন বা এলটিই চালু হয় – ২০০৯ সালে নরওয়ের ওসলো এবং সুইডেনের স্টকহোমে।

আজকের আর্টিকেলে পাবেন কিভাবে 3G মোবাইল 4G মোবাইলে রুপান্তর করা যায়

GSMA এর জরিপ অনুযায়ী সারাবিশ্বে মোবাইল ব্যাবহারকারী মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি। প্রত্যেকে মোবাইল ফোন ব্যাবহারকারী চায় তার মোবাইলে সর্বোচ্চ নেটওয়ার্ক। অর্থাৎ যে সময় যে প্রজন্ম বা জেনারেশন তা পায়।

যেমন – প্রথম প্রজন্ম 1G, দ্বিতীয় প্রজন্ম 2G, তৃতীয় প্রজন্ম 3G, চতুর্থ প্রজন্ম 4G . কিন্তু প্রতিটি প্রজন্ম বা Generation সব মোবাইলে সাপোর্ট করে না। তাই মোবাইলকে একটি Generation থেকে অন্য Generation এ রূপান্তর করে নিতে হয়।

সব মোবাইল 4G করা যায় না। যে সকল মোবাইলের কিটক্যাট ৪.৪ বা তার উপরের ভার্শান, সে সকল মোবাইল 4G করা যায়। যেমন- অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল। তবে উইন্ডোজ বা আইফোন মোবাইল 4G করা যায় না।

3G মোবাইলকে 4G মোবাইলে রুপান্তর করার নিয়ম:

1. আপনি প্রথমে গুগল প্লে স্টোরে যান। গুগল প্লে স্টোর থেকে MTK ENGINEERING MODE নামে APP টি ডাউনলোড করুন।

2. তারপর MTK ENGINEERING MODE APP টির মেনুতে গিয়ে অ্যাডভান্সড সেট আপে ক্লিক করুন। অ্যাপটি ওপেন করে ইন্জিনিয়ারিং মোডের mobile specific code এন্টার করুন। (এটি আপনার হেন্ডসেট নির্মানকারী সংস্হার সার্ভিস সেন্টারে পাবেন)

3. নেটওয়ার্ক মোডে গিয়ে 4G LTE, WCDMA and GSM অপশন সিলেক্ট করুন ও সেভ করুন।

4. এখন মোবাইলটি একবার রিস্টার্ট করুন। এখন হয়ে গেল আপনার 3G মােবাইলটি 4G মোবাইল।


Related Question & Answer

প্রশ্ন : 4G তে ডাউনলোড ও আপলোড স্পীড কত?

উত্তর : 4G তে ডাউনলোড স্পীড 40 Mbps এবং আপলোড স্পীড 15 Mbps

প্রশ্ন : সীম ৪জি কিনা তা কিভাবে জানা যাবে?

উত্তর : আপনার সিমটি ৪জি কিনা তা জানতে chk লিখে SMS করুন ১৫৭ নাম্বারে। যদি সিমটি ৪জি হয় তাহলে ফিরতি SMS এর মাধ্যমে জানতে পারবেন।

প্রশ্ন: Mobile specific code কোথায় পাওয়া যায়?

উত্তর : Mobile specific code টি আপনার হেন্ডসেট নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস সেন্টারে পাবেন। এছাড়াও গুগলে সার্চ দিলে মোবাইল স্পেসিফিক কোডটি পাবেন।

প্রশ্ন : 4G সেবা পেতে কি কি প্রয়োজন?

উত্তর : 4G সেবা পেতে যা প্রয়োজন তা হলো –

  • আপনার হাতে ২জি সিম রিপ্লেস করে নিতে হবে।
  • ৩জি সিম মাইগ্রেট করে ৪জি সিম করতে হবে।
  • ৪জি সাপোর্ট করে এমন ধরনের মোবাইল ফোন নিতে হবে।

প্রশ্ন: 3G ও 4G কি?

উত্তর:- 3 G হলো থার্ড জেনারেশন বা তৃতীয় প্রজন্মের সংক্ষিপ্ত রুপ। তবে এর মূল অর্থ হলো থার্ড জেনারেশন অপ মোবাইল টেলিকমুনিকেশন টেকনোলজি।

প্রশ্ন: 4G কি?

উত্তর :- 4G হলো ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্মের সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি তৃতীয় প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির উত্তরসূরী।

প্রশ্ন :  3G মোবাইল 4G করবো কেন?

উত্তর :  সম্প্রতি চালু হওয়া 4 G নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্নের শেষ নেই। অনেকেই জানে না এই 4G কি? কেনই বা আমাদের মোবাইল 4G করবো? মোবাইল 4G করলে কি কি সুবিধা পাবো? 4G নিয়ে আপনাদের মনের এই  ঘোর কাটানোর জন্যই আমাদের এই পোস্ট, তাই চলুন জেনে নেই কেন মোবাইল 3G থেকে 4G করবো?

4G হলো চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। 4G এর পূর্নরুপ হলো : 4th Generation. ভালোমানের 3G কভারেজের অভাব থেকেই শুরু হয় 4G মোবাইল প্রযুক্তির গবেষণা।  মোবাইল নেটওয়ার্ক দ্রুত গতির করার জন্য ও সহজেই অল্প সময়ে তথ্য আধান প্রধানের জন্য 3G মোবাইল 4G করা হয়। আর 4G মোবাইল নেটওয়ার্ক 3G এর থেকে অনেক বেশি দ্রুত গতির।

প্রশ্ন: 4G নেটওয়ার্ক এর সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি?

উত্তর: সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য গুলো  নিচে দেওয়া  হলো:-

  • 4G এর গতি 3G এর চেয়ে ৫০ গুন বেশি।
  • ডেটা ট্রান্সফার রেট সবচেয়ে বেশি। ৩/উন্নতমানের মোবাইল টেলিভিশন দেখার উপযোগী হবে।
  • উচ্চগতির ফ্রিকোয়েন্সি এবং এি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা আছে।
  • বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে পরিবর্তনের সময় নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ থাকবে।
  • এই প্রজন্ম সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার।

আশা করি সম্পূর্ণ পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে।

যদি আপনাদের আরো কিছু প্রশ্ন জানার থাকে তাহলে কমেন্টে লিখে দিবেন, আমার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

মোবাইল ফোন রুট করা উচিত (সুবিধা ও অসুবিধা) 

মোবাইলের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়

মোবাইল ফোন ভালো রাখার উপায়

মোবাইলে হ্যাং হলে আপনার করনীয়